আন্দামানের অন্দরে দ্বৈত দ্বীপের সৈকত সেতু

পোর্ট ব্লেয়ার যদি দক্ষিণ আন্দামানের প্রাণকেন্দ্র হয় তাহলে দিগলিপুর অবশ্যই উত্তর আন্দামানের প্রাণভোমরা। দিগলিপুরের টার্টেল রিসোর্ট এর অনতিদূরে কালিপুর সৈকতের পাশ ঘেঁষে মেঘ কুয়াশার মিনারে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়া স্যাডেল পিক। জল জঙ্গলের নীল সবুজে মোড়া প্রকৃতির কোলে, ৭৩২ মিটার উচ্চতার এই স্যাডেল পিক থেকেই আন্দামানের এক মাত্র খরস্রোতা নদী কালপং এর জন্ম। উত্তর আন্দামানের এই দিকটায় দক্ষিণ আন্দামানের টুরিস্ট স্পষ্ট গুলির ন্যায় কৃত্রিমতার আতিশয্য এখনও সেই ভাবে চোখে পড়ে না।
রিসোর্ট থেকে বেরিয়ে এদিক ওদিক এক চক্কর ঘুরে নিয়ে ৯ কিমি দূরে এরিয়াল বে জেটির সামনে যখন পৌঁছালাম আকাশে তখন নীল সাদা মেঘের পানসি পাততাড়ি গোটাচ্ছে। ছিমছাম নির্জন ফেরিঘাট। ফেরিঘাটের পাশে বাঁশ ও কাঠদিয়ে মোড়া খড়ের ছাউনি দেওয়া মনোরম ইকোহার্ট। সাগর কিনারে সারি দিয়ে নীল লাল সবুজের মেলা; আসলে জলের বুকে রংবাহারি জলজানের ভেলা! মূল ভূখণ্ডে সড়ক পরিবহন থাকলেও জলজানই হ'ল আন্দামানের অন্দরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান হৃদয় রেখা। তাই সবুজ দ্বীপের স্বর্গ রাজ্যে 'দ্বৈত দ্বীপের' আঙিনায় পৌঁছাতে ভাসমান জলজানই একমাত্র ভরসা। ফেরিঘাটের উল্টো দিকের ছাওনিতে বসা স্থানীয় প্রশাসনের থেকে পারমিট ও জলযানের টিকিট সংগ্রহ করে কর্তা গিন্নি দু'জনে লাইফ জ্যাকেট গায়ে চাপিয়ে চড়ে বসলাম এক ফাইবারের তৈরি ছোট্ট স্পিড বোটে। ক্যামেরা, মোবাইল, পানিয় জল, শুকনো খাবারের পার্সেল ও এক সেট করে এক্সট্রা জামাকাপড় ওয়াটার প্রুফ ব্যাগে পুরে সঙ্গে রাখলাম।
স্পিড বোট স্পিড তোলেনি তখনও। দুলকি চালে ভেসে চলেছে সামনের দিকে। চলতে চলতে, আন্দামানের অন্দরে আগত আনন্দ ও বিগত বিস্ময়, ভাসমান ভেলায় ভাসিয়ে, কেবল উপস্থিতির দিকেই চোখ মেলে রইলাম। এরিয়াল বে জেটির পাশের সান বাধানো ঘাটে একটা বাচ্চা হাতিকে চান করাচ্ছে মাহুত। এক ছোট্ট ডিঙি নৌকায় দাঁড়িয়ে, ধীবর পল্লীর এক দেহাতি, মাছ ধরার জাল ছুঁড়ে দিলো নীল সাগরের বুকে। দূরে নাম না জানা কিছু অচিন দ্বীপের সবুজে মোড়া মাথা গুলো ক্রমশ মিলিয়ে যেতে থাকলো চোখের নিমেষে। অন্য একটা বোট গতি বাড়িয়ে আমাদের পাশ ঘেঁষে এগিয়ে গিয়ে অদৃশ্য হ'ল নিঃসীম নীলের চরাচরে। দূর দিগন্তে তাকিয়ে দেখি আবছায়া স্যাডেল পিকের চূড়া ছুঁয়ে, ঘন কালো মেঘের ঘনঘটা ঘনিয়ে আসছে আমাদেরই দিকে।
আমাদের স্পিড বোট গতি বাড়ানোর সাথে সাথে উপস্থিত দৃশ্যপট পিছনে ফেলে এক অচেনা অজানা বিস্ময়পুরের দরজা উন্মোচিত হ'ল চোখের সামনে। স্পিড বোটের স্পিডের সাথে তাল মিলিয়ে হেলেদুলে দুধসাদা ফেনিল জলরাশির ফিচকেরি হয়ে ছুটে চললাম সীমাহীন সাগরের বুকে। অন্তহীন নীলের সে এক নৈসর্গিক মহাকাব্য। চোখের নিমেষে দিগন্ত জুড়ে ছেয়ে গ্যালো কালো মেঘের ঘনঘটা। সাথে সাথে সাগরের গাঢ় নীল কেমন যেন বদলে গ্যালো কালচে নীলে! হঠাৎ করে বেমক্কা বাতাস এসে টোকা দিলো মেঘ মিনারের খিলানে। বিজবিজে বৃষ্টি নামলো চরাচর জুড়ে। বিনা বাধায় ঝমঝমিয়ে ঝরতে লাগল বেওয়ারিশ বারিকুল! আমাদের বোর্টের চালক যুবকটি একটা বড়সড় পলিথিন শিট আমাদের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে দু'জনকে মাথায় চাপা দিয়ে নিতে বললেন। কর্তা গিন্নি দু'হাত উপরে তুলে মাথার উপর চাঁদোয়া ধরে প্রবেশ করলাম পলিথিনের ছাঁদনাতলায়। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চালক তখন বোট সামলাতে ব্যস্ত। দমকা হাওয়ার দাপাদাপিতে ক্রমশ উত্তাল হয়ে উঠছে সমুদ্র। উদ্দাম সমুদ্রে জলচ্ছাসের জলতরঙ্গ, আমাদের ছোট্ট জলযানের গতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দামাল যুবকের ছুটে চলা দূরন্ত গতির বাইকের ন্যায় আমাদের স্পিড বোট ডাইনে বাঁয়ে হেলে দুলে ডজ মারতে মারতে দু'পাশে জল কুচির মুক্তো দানা ছিটিয়ে এগিয়ে চলেছে সামনের দিকে। ছাঁদনাতলার ভেতর থেকে যেদিকেই চোখ মেলি শুধু জল আর জল। জলময় জগতে জলজানের সেই অভিজ্ঞতার অভিব্যক্তি, অক্ষরে প্রকাশের পারঙ্গমতা আমার নেই।
বেশ কয়েক মিনিট ধরে উলুঝুলু বৃষ্টির পর, হঠাৎ চরাচর জুড়ে খলবলে রোদ দেখে মনটা আনন্দে ভরে উঠলো। সমুদ্রের উদ্দাম বেগ হারিয়ে গিয়ে জলরাশি কেমন যেন শান্ত হতে শুরু করেছে। চালক এখন বোটের গতি অনেকটাই শ্লথ করে দিয়েছে। ধীরে ধীরে চোখের সামনে উন্মোচিত হচ্ছে সোনালি বালুতট, তার পিছনে জঙ্গলের সারি। একটু আগের দেখা ঘন নীল জল তরঙ্গ কোন সদূরে উধাও হয়ে সামনে এগিয়ে আসছে অকল্পনীয় পান্না সবুজ জলরাশি। এ যেন এক আজব প্রকৃতির আশ্চর্য রংমহল। চালক আঙুল তুলে বললেন ওই আসছে রস আইল্যান্ড। ডান দিকে বেশ অনেকটা দূরে আরও একটা ছোট্ট দ্বীপ দেখা যাচ্ছে যার নাম স্মিথ। স্বচ্ছ জলের ভিতর দিয়ে রোদের আলোয় চিক চিক করছে দুই দ্বীপের মাঝে বালিয়াড়ির প্রাকৃতিক সৈকত সেতু। কিছুটা এগিয়ে বোট থামলো হাঁটু ডোবা স্ফটিক স্বচ্ছ জলের উপর। আমরা সেই জলে নেমে উল্লাসিত মনে এগিয়ে চললাম দ্বীপটির দিকে। আমাদের জলজানের বেশ কিছুটা দূরে আরও এক দম্পতিকে দেখলাম বোট থেকে নেমে কোমর ডোবা জল ভেঙে এগিয়ে আসছে আমাদেরই দিকে। সাগর জলে হাঁটতে হাঁটতে টুকরো আলাপে জানতে পারলাম ওঁরা মধুচন্দ্রিমা যাপনে আন্দামান বেড়াতে এসেছে।
আন্দামানের অন্যান্য দ্বীপপুঞ্জের ন্যায় রস দ্বীপটিও সবুজ গাছগাছালিতে ছাওয়া। পাতার ছাওনি দেওয়া চার ধার খোলা ছোট ছোট ইকোহাট ইতিউতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। দ্বীপ লাগয়া সৈকত কিনারে সান বার্থ নেওয়ার জন্য কাঠের সারি দিয়ে আরামকেদারা পাতা। দক্ষিণ আন্দামানের জনপ্রিয় দ্বীপ গুলির ন্যায় পর্যটদের উপচে পড়া ভিড় এখানে তেমন চোখে পড়ছে না। দ্বীপটির মাঝে দাঁড়িয়ে সোজাসুজি চোখ মেলতেই কাঁচের মতো স্বচ্ছ জলের নিচে প্রায় ৫০ মিটার চওড়া এক সোনালী বালুতট; যা গিয়ে মিশেছে দূরের ওই ছোট্ট স্মিথ দ্বীপের সৈকতে। অবাক প্রকৃতির খেলাঘরে আদিগন্ত সমুদ্র পৃষ্ঠের উপর এক চিলতে বালুতট, দুই দ্বীপের প্রাকৃতিক সৈকত সেতু হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই সৈকত সেতুই উত্তর আন্দামানের রস ও স্মিথ দ্বীপকে একত্রে 'দ্বৈত দ্বীপ' করে তুলেছে। মাঝ সমুদ্রের বুকের উপর দিয়ে সেই অত্যাশ্চর্য প্রাকৃতিক সেতু ধরে ভাটার সময় এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে অনায়াসে হেঁটে যাওয়া যায়। এখন জোয়ারের সময় তাই স্যান্ড বার এর সৈকত সেতু প্রায় হাঁটু জলে ডুবে আছে। লাইফ জ্যাকেট পরিহিত বেশ কিছু লাইফ গার্ড সৈকতের আশে পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর উৎসুক পর্যটক দের এই মুহূর্তে বালুতটের সেতু অতিক্রম করতে মানা করছে। খানিক পরেই ভাটার সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সৈকত সেতুর বালুতটে জলের স্তর কমতে লাগল। এগিয়ে গিয়ে সেই আশ্চর্য সুন্দর সেতুর পথ ধরলাম। মুক্ত প্রকৃতির জল সাগরে যেন কোনও এক অদৃশ্য জাদুকর তাঁর অবাক করা ইন্দ্রজাল বিছিয়ে দুই দ্বীপের সংযোগ পথ খুলে দিয়েছে। গোড়ালি ডোবা জলে নরম বালিয়াড়ির উপর দিয়ে মাঝ সমুদ্রের বুকে হেঁটে চলা এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপে। পায়ের পাতায় স্বচ্ছ জলের আলপনা। ভিজে বালিয়াড়ির ইতিউতি লাল কাঁকড়ার আঁকিবুঁকি। দু'পাশে আছড়ে পড়ছে দুধ সাদা ফেনিল ঢেউ। মধুচন্দ্রিমা যাপনে আশা দম্পতি তখন সাগর কিনারে জল খেলায় মগ্ন। এসে পৌঁছালাম জঙ্গলে ঢাকা ছোট্ট স্মিথ দ্বীপের সৈকতে। চৌদিক জুড়ে শান্ত সুনীল জলরাশি। প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তা যেন নির্জনতার নিসর্গে ঘিরে রেখেছে দ্বীপটির চারপাশ।
চারপাশ জুড়ে নীল নীলিমার ছোট ছোট ঢেউ এর হাতছানিতে সাড়া দিয়ে এক সময় আমরাও জলে নেমে হুটোপুটি করে স্নান করতে নামলাম। হঠাৎ করেই শুরু হ'ল ইলসেগুঁড়ি বৃষ্টি। চরাচর জুড়ে শনশন হাওয়া, স্ফটিক স্বচ্ছ জলের তলায় রংবাহারি পাথরের টুকরো, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঝিনুক, শামুক, প্রবাল, পায়ের নিচে কখনো সোনালী কখনো মিহি সাদা বালুকণা - সব মিলিয়ে সে এক আশ্চর্য রঙিন বিরল মুহূর্তের সমাহার। বৃষ্টি স্নাত দ্বৈত দ্বীপের মাঝ সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে অবাক প্রকৃতির মুক্ত বাসরে জলকেলির আনন্দ অনুভূতি ভাষায় ব্যক্ত করাটা বড়ই বেমানান হয়ে যাবে।
স্নান সেরে রস দ্বীপের চেঞ্জ রুমে জামাকাপড় বদলে নিয়ে চারদিক খোলা ইকোহাটে বসে প্রকৃতি দেখতে দেখতে সঙ্গে আনা দুপুরের খাবার খেয়ে আবার এসে দাঁড়ালাম দুই দ্বীপের সৈকত সেতুর উপর। বৃষ্টি থেমে হালকা রোদের আভায় ঝলমল করছে দ্বৈত দ্বীপের দিগ্বিদিক। মহাকালের রূপলোকে সময় যেন থমকে গ্যাছে। অপার বিস্ময়ে আবারও তাকিয়ে দেখছি দুই অচিন দ্বীপের অবিচ্ছেদ্য গাঁটছড়া। একটু আগেই জলকেলিতে মগ্ন থাকা নব দম্পতিটি সোহাগি খুনসুটি ভুলে হা করে চেয়ে আছে অবাক প্রকৃতির বেবাক চরাচর পানে। নগর সভ্যতার সুসভ্য মানুষের অসভ্য সংকীর্ণচেতা দূরে রেখে সহসা আমরা যেন মেনল্যাণ্ড থেকে আইল্যান্ড বাসী হয়ে উঠেছি!
পরমাশ্চর্য প্রকৃতির জলমহলে বিবশ বিস্ময়ে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে কখন যে বেলা গড়িয়ে গ্যাছে বিকেলের দিকে খেয়ালই ছিল না। সম্বিৎ ফিরল আমাদের বোট চালকের ফিরতি ডাকে। আকাশ আবার কালো করে এসেছে। অন্য পর্যটক দের বেশির ভাগ জলযান আগেই ফিরে গ্যাছে। সুখ সাগরের চলমান মুহূর্তে সহসা মনকেমনের অনুভূতি মিশিয়ে ফিরতি বোটে চড়ে বসলাম। পাশে বসে গিন্নি দুখজাগানিয়া গলায় অমিয় চক্রবর্তীর কবিতার কয়েকটি লাইন বলে চলল -
"সময় কি থামে?
আঙুলের ফাঁক দিয়ে
দণ্ড পল মুহূর্তের জল ব'য়ে যায়!"
আমাদের বোট ফিরতি পথে বেশ কিছুটা এগিয়ে এসেছে। শেষ বারের মতো পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখলাম - আন্দামানের অন্দরে দ্বৈত দ্বীপের সৈকত সেতু ক্রমশ ঝাপসা হয়ে নির্বাপিত হয়ে চলেছে নিঃসীম নীল নীলাচলে!
পর্যটকদের প্রয়োজনীয় পরচা
আন্দামান ট্রাঙ্ক রোড ধরে পোর্ট ব্লেয়ার থেকে উত্তর আন্দামানের দিগলিপুরের দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিমি। যদিও কিলোমিটারের হিসাবে এক্ষেত্রে সফর সময় হিসাব করলে চলে না। এ পথ পাড়ি দিতে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ঘন্টা সময় লাগে। পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ভোররাতে বেরিয়ে ঝিরকাটাং চেক পোস্টে পুলিশ কনভয় সহ জারোয়া রিজার্ভের ঘন বন অতিক্রম করে প্রথমে ফেরিতে মিডল স্টেট জেটি থেকে বারাটাং দ্বীপের নীলাম্বুর জেটি গাড়ি সহ পার হওয়া। পরে আবার একটা খাঁড়ি গান্ধিঘাট জেটি থেকে উত্তরা জেটিতে পার করতে হয়। এই খাঁড়িপথ গাড়িসহ পার হতে অনেকটা সময় নষ্ট হয় পথে। গাড়ির লাইনের উপর খাঁড়ি পারাপারের সময় নির্ভর করে। এর পর মধ্য আন্দামানের (কদমতলা, রঙ্গত, মায়া বন্দর) সুদীর্ঘ সবুজ ঘেরা পথ অতিক্রম করে পৌঁছাতে হয় উত্তর আন্দামানের প্রান্তিক জনপদ দিগলিপুরে। যে সকল পর্যটক একদিনে এতোটা পথ অতিক্রম করতে চায় না তাঁরা একটা রাত মধ্য আন্দামানের রঙ্গত অথবা মায়াবন্দরে কাটিয়ে পরের দিন সকালে দিগলিপুরের দিকে যায়। দিগলিপুরের এরিয়াল বে জেটি থেকে দ্বৈত দ্বীপে যাওয়ার জলযান মেলে। এরিয়াল বে জেটি থেকে স্পিড বোটে ২০-২৫ মিনিট সময় লাগে রস দ্বীপে পৌঁছাতে। আন্দামানে বেড়ানোর গাড়ি যদি কোনও ট্যুর অপারেটরের থেকে বুক করেন তবে সেই ট্যুর অপারেটর আন্দামান ও নিকোবর ট্যুরিজম বিভাগের অনুমোদিত কিনা দেখে নেবেন। আন্দামান ও নিকোবর ট্যুরিজম এর ওয়েবসাইট থেকে অনুমোদিত ট্যুর অপারেটরের নাম ও যোগাযোগ নম্বরের তালিকা পেয়ে যাবেন।
দ্বৈত দ্বীপে রাত্রিযাপনের কোনও ব্যবস্থা নেই। দিগলিপুরে রাত্রিবাসের সেরা ঠিকানা আন্দামান ট্যুরিজম বিভাগের টার্টেল রিসোর্ট। যা এখন আন্দামান নিকোবর ট্যুরিজম এর ওয়েব সাইট থেকে অনলাইনেই বুক করা যায়। বেসরকারি হোটেলও এখন অনেক হয়েছে, যেমন - টার্টেল রিসোর্ট এর পাশেই অবস্থিত প্রিস্টাইন বিচ রিসোর্ট। এছাড়া আছে স্যাডেল পিক ভিউ রিসোর্ট, হোটেল ল্যান্ডফল ইত্যাদি।
























Comments